প্রত্যাহারকালীন পজিশন খোলার কৌশল
সারসংক্ষেপ
এই নিবন্ধটি ড্রডাউনের ভিত্তিতে পজিশন খোলার একটি কৌশল উপস্থাপন করে। কৌশলটি অ্যাকাউন্টের ড্রডাউন পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্ধারিত মান পৌঁছালে নির্বাচিতভাবে লং পজিশন খোলে, যাতে বাজার রিবাউন্ড করলে ভালো মুনাফা অর্জন করা যায়।
কৌশলের মূলনীতি
কৌশলটি নিম্নলিখিত যুক্তির উপর ভিত্তি করে:
-
অ্যাকাউন্টের বর্তমান ড্রডাউনের মাত্রা গণনা করে তা চার্টে অঙ্কন করা।
-
যখন ড্রডাউন নির্ধারিত থ্রেশহোল্ডে (যেমন 5%) পৌঁছায়, তখন বাজার ওভারসোল্ড বলে ধরে নিয়ে লং পজিশন খোলা।
-
যদি পরের দিনের ক্লোজিং প্রাইস আগের দিনের চেয়ে বেশি হয়, তবে পজিশন বন্ধ করে লাভ নেওয়া হয়, ড্রডাউন ট্রেড সম্পন্ন হয়।
-
যদি কোনো ড্রডাউন না থাকে বা থ্রেশহোল্ডে না পৌঁছায়, তাহলে কোনো ট্রেড করা হয় না।
-
ড্রডাউন ট্রেডের পর, অ্যাকাউন্ট পুনরায় গণনা করে পরবর্তী শর্ত পূরণের অপেক্ষা করে।
সুবিধা বিশ্লেষণ
কৌশলটির নিম্নলিখিত সুবিধা রয়েছে:
-
ড্রডাউনে পজিশন খোলার মাধ্যমে বাজার রিবাউন্ড করলে ভালো মুনাফা পাওয়া যায়।
-
ড্রডাউন থ্রেশহোল্ড নির্ধারণের পর অটোমেটেড ট্রেডিং করা যায়।
-
ড্রডাউনের সময় পজিশনের আকার বড় নির্ধারণ করলে বড় মুনাফা পাওয়া সম্ভব।
-
কৌশলের যুক্তি সহজ ও স্পষ্ট, সহজে পরিচালনা করা যায়।
-
বাজার অনুযায়ী ড্রডাউন থ্রেশহোল্ড সামঞ্জস্য করা যায়।
ঝুঁকি বিশ্লেষণ
কৌশলটিতে কিছু ঝুঁকিও রয়েছে:
-
ড্রডাউন সঠিকভাবে নির্ধারণ না হলে পজিশন খোলা ব্যর্থ হতে পারে।
-
ড্রডাউনের পর বাজার আবারও পড়লে ক্ষতি বাড়তে পারে।
-
যথাযথভাবে পজিশনের আকার ও স্টপ-লস পয়েন্ট নির্ধারণ করা উচিত।
-
ট্রেডিং ফ্রিকোয়েন্সির দিকে নজর রাখা প্রয়োজন, অতিরিক্ত ট্রেডিং এড়ানো উচিত।
-
ড্রডাউন থ্রেশহোল্ড নির্ধারণের সময় অ্যাকাউন্টের সহনশীলতা বিবেচনা করা উচিত।
উপসংহার
কৌশলটি ড্রডাউনের পরবর্তী রিবাউন্ড সুযোগ ধরার চেষ্টা করে। তবে ট্রেডারদের সময় ও পরিস্থিতি বুঝে, সাবধানে ড্রডাউন ট্রেডের সময় মূল্যায়ন করা এবং ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
- 1
