ওপেন প্রাইস ট্রেডিং কৌশল
ওভারভিউ
এই কৌশলটি উদ্বোধনী মূল্য ও সমাপনী মূল্যের অনুপাত গণনা করে ভবিষ্যতের মূল্যের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে। যখন অনুপাত ১-এর নিচে থাকে, তখন বুলিশ (উর্ধ্বমুখী) সংকেত দেয়, আর যখন ১-এর উপরে থাকে, তখন বেয়ারিশ (নিম্নমুখী) সংকেত দেয়। এই কৌশলটি স্বল্প-মেয়াদী ট্রেডিংয়ের জন্য উপযোগী।
কৌশলের মূলনীতি
এই কৌশলের মূল সূচক হলো উদ্বোধনী মূল্য ও সমাপনী মূল্যের অনুপাত:
x = open / close
যদি এই অনুপাত ১-এর নিচে হয়, তাহলে সমাপনী মূল্য উদ্বোধনী মূল্যের চেয়ে বেশি, যা একটি বুলিশ সংকেত; যদি ১-এর উপরে হয়, তাহলে উদ্বোধনী মূল্য সমাপনী মূল্যের চেয়ে বেশি, যা একটি বেয়ারিশ সংকেত।
সংকেতকে মসৃণ করার জন্য, অতীতের Nটি ক্যান্ডেলের অনুপাতের গড় নেওয়া হয়। যখন গড় মান ১-এর নিচে হয়, তখন লং (ক্রয়) পজিশন নেওয়া হয়, আর যখন ১-এর উপরে হয়, তখন শর্ট (বিক্রয়) পজিশন নেওয়া হয়।
কৌশলের সুবিধা
-
শুধুমাত্র উদ্বোধনী ও সমাপনী মূল্য, এই দুটি মৌলিক প্যারামিটার ব্যবহার করে, যা অত্যন্ত সহজ।
-
কোনো সূচক গণনার প্রয়োজন নেই, ফলে গণনা সংস্থানের চাহিদা কমে যায়।
-
শুধুমাত্র উদ্বোধনী ও সমাপনী মূল্যের তথ্যের উপর নজর দেয়, অন্যান্য গোলমাল ফিল্টার করে।
-
স্বল্প-মেয়াদী আর্ভিট্রেজের জন্য উপযোগী, দ্রুত এন্ট্রি ও এক্সিট সম্ভব।
-
মূলধন ব্যবহারের দক্ষতা বেশি, উচ্চ পজিশন সেট করা যায়।
ঝুঁকি বিশ্লেষণ
-
সহজেই মিথ্যা সংকেত সৃষ্টি হতে পারে, কারণ এটি একতরফাভাবে উদ্বোধনী ও সমাপনী মূল্যের উপর নির্ভর করে।
-
ট্রেন্ডের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করতে পারে না, বিপরীতমুখী কার্যক্রমের ঝুঁকি থাকে।
-
স্বল্প-মেয়াদী কার্যক্রমের ফলে ট্রেডিংয়ের ফ্রিকোয়েন্সি ও কমিশন বৃদ্ধি পেতে পারে।
-
উচ্চ পজিশনের কারণে বড় ক্ষতি ও ড্রডাউন হতে পারে।
নিম্নলিখিত উপায়ে ঝুঁকি কমানো যেতে পারে:
-
ভলিউমের মতো সূচক যোগ করে সংকেত ফিল্টার করা।
-
ট্রেন্ড সূচকের সাথে যুক্ত করে দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা।
-
স্টপ লস ও টেক প্রফিট কৌশল স্থাপন করে একক ট্রেডের ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করা।
-
পজিশন ম্যানেজমেন্ট অপটিমাইজ করা, পূর্ববর্তী লাভের ভিত্তিতে পজিশনের আকার সামঞ্জস্য করা।
কৌশল অপটিমাইজেশনের দিকনির্দেশনা
এই কৌশলটি নিম্নলিখিত দিক থেকে অপটিমাইজ করা যেতে পারে:
-
ট্রেডিং সংকেত ফিল্টার করার জন্য সূচক বা শর্ত যোগ করা।
-
ট্রেন্ড সূচকের সাথে যুক্ত করে বড় দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা।
-
প্যারামিটার সেটিং অপটিমাইজ করে ট্রেডিংয়ের ফ্রিকোয়েন্সি ভারসাম্য রাখা।
-
ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্টপ লস ও টেক প্রফিট কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা।
-
পজিশন ম্যানেজমেন্ট মডিউল যোগ করে লাভের ভিত্তিতে পজিশনের আকার সামঞ্জস্য করা।
সারসংক্ষেপ
এই কৌশলটির ধারণা সহজ ও বোধগম্য, তবে কিছুটা অন্ধ ট্রেডিংয়ের ঝুঁকি বিদ্যমান। সংকেত ফিল্টার করার শর্ত অপটিমাইজ করা, ট্রেন্ডের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা এবং স্টপ লস ও টেক প্রফিট বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৌশলের স্থিতিশীলতা বাড়ানো যেতে পারে। সামগ্রিকভাবে, এর উন্নতি করার স্থান ও মূল্য বিদ্যমান।
- 1
