শতাংশ পরিবর্তনের ভিত্তিতে মান বার চার্টের ব্যাকটেস্টিং কৌশল
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
এই কৌশলটি বর্তমান K-লাইনের ক্লোজিং প্রাইস বনাম N টি K-লাইন পূর্বের ক্লোজিং প্রাইসের পরিবর্তনের শতকরা হার গণনা করে এবং বিভিন্ন রঙের বার চার্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে ট্রেন্ড নির্ধারণ করে। কৌশলটি ক্রয়-বিক্রয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ট্রেন্ড লাইনের সাথে মিলিত হয়।
কৌশলের মূলনীতি
-
ইনপুটের মাধ্যমে কৌশলের প্যারামিটার সেট করা হয়, যার মধ্যে বার চার্টের প্রস্থ, দামের পরিবর্তন নাকি শতকরা পরিবর্তন দেখানো হবে, পিছনে দেখা কতগুলি K-লাইন, ক্রয়-বিক্রয়ের থ্রেশহোল্ড ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
-
বর্তমান K-লাইনের ক্লোজিং প্রাইস এবং N টি পূর্ববর্তী K-লাইনের ক্লোজিং প্রাইসের মধ্যে পার্থক্য বা শতকরা পার্থক্য গণনা করা হয়।
-
ক্রয় ও বিক্রয়ের থ্রেশহোল্ড কার্ভ নির্ধারণ করা হয়।
-
শতকরা পার্থক্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন রঙের বার চার্ট প্রদর্শিত হয়।
-
যখন শতকরা পার্থক্য ক্রয় থ্রেশহোল্ডের চেয়ে বেশি হয় তখন লং পজিশন সেট করা হয়, এবং যখন বিক্রয় থ্রেশহোল্ডের চেয়ে কম হয় তখন শর্ট পজিশন সেট করা হয়।
-
পজিশনের দিক অনুযায়ী বার চার্টের রঙ নির্ধারণ করা হয়।
-
পজিশনের দিক অনুযায়ী এন্ট্রি এবং এক্সিট বাস্তবায়ন করা হয়।
কৌশলের সুবিধা
-
দামের পরিবর্তনের প্রবণতা সরাসরি প্রদর্শিত হয়, যা ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
-
ট্রেন্ড নির্ধারণের সূচকের সাথে যুক্ত হয়ে এন্ট্রি এবং এক্সিট পয়েন্ট স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায়।
-
বিভিন্ন পণ্য ও সময়কালের জন্য প্যারামিটার সামঞ্জস্য করে অপ্টিমাইজ করা যায়।
-
কার্যপ্রণালী সহজ এবং স্পষ্ট, বোঝা ও পরিবর্তন করা সহজ।
-
ভিজুয়াল ইফেক্ট ভাল, দ্রুত ট্রেন্ডের দিক নির্ধারণ করা যায়।
কৌশলের ঝুঁকি
-
ভুল সংকেত উৎপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, ভুল এন্ট্রি পয়েন্ট নির্বাচনে ক্ষতি হতে পারে।
-
উচ্চ অস্থিরতাসম্পন্ন পণ্যের জন্য প্যারামিটার সামঞ্জস্য না করলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
-
অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রভাব বিবেচনা করা হয়নি, যেমন বড় নেতিবাচক সংবাদ।
-
ব্যাকটেস্টিংয়ের সময়কাল কম, প্যারামিটারের শক্তিশালিতা নিশ্চিত করা যায় না।
-
সময়সীমা বিবেচনা করা হয়নি, ফলে রিভার্সালের সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।
প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশন, অন্যান্য সূচকের সাথে ফিল্টারিং, স্টপ-লস নির্ধারণ, ব্যাকটেস্টিংয়ের সময়কাল বৃদ্ধি ইত্যাদি পদ্ধতিতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।
কৌশল অপ্টিমাইজেশনের দিকনির্দেশনা
-
ট্রেডিং সিগন্যাল নিশ্চিত করার জন্য অন্য সূচক যুক্ত করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে, যেমন ট্রেন্ড ইন্ডিকেটর, ভোলাটিলিটি ইন্ডিকেটর ইত্যাদি।
-
প্যারামিটার সেটিং অপ্টিমাইজ করার জন্য মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
-
স্বতন্ত্র লোকসান নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়নামিক স্টপ-লস নির্ধারণ করা যেতে পারে।
-
অপ্রত্যাশিত ঘটনার প্রভাব এড়াতে সেন্টিমেন্ট ইন্ডিকেটর, সংবাদ ইত্যাদি যুক্ত করা যেতে পারে।
-
নির্দিষ্ট ট্রেডিং সময় বা নির্দিষ্ট সময়সীমার ফিল্টারিং নিয়ম যোগ করা যেতে পারে।
-
ব্যাকটেস্টিংয়ের সময়কাল অপ্টিমাইজ করে দীর্ঘ সময়ের জন্য যাচাই করা যেতে পারে।
সারসংক্ষেপ
এই কৌশলটি দামের পরিবর্তনের শতকরা হার গণনা করে এবং বার চার্টে তাৎক্ষণিকভাবে প্রদর্শন করে, ট্রেন্ড লাইনের সাহায্যে মোটামুটি পরিষ্কার ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি করে। কৌশলের ধারণা সহজ এবং পরিচালনা করা সহজ। তবে কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যা প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশন, সূচক ফিল্টারিং, স্টপ-লস ইত্যাদির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ক্রমাগত অপ্টিমাইজেশন করলে এটি একটি সহজে বোধগম্য এবং কার্যকর ট্রেন্ড ফলোয়িং কৌশলে পরিণত হতে পারে।
- 1

