ট্রেডিং ভলিউমের স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন ভিত্তিক ট্রেন্ড ট্র্যাকিং কৌশল
সারসংক্ষেপ
এই কৌশলটি ট্রেডিং ভলিউমের মুভিং এভারেজ এবং স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন ব্যবহার করে একটি ভলিউম মডেল তৈরি করে, দামের মুভিং এভারেজের সাথে মিলিয়ে প্রবণতার দিক নির্ধারণ করে এবং স্বাভাবিক ভলিউমের অবস্থায় ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি করে। কৌশলটিতে ভলিউমের উচ্চ ও নিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে, যা অস্বাভাবিক ভলিউমের ক্ষেত্রে ভুল সিগন্যাল এড়াতে সাহায্য করে।
কৌশলের নীতি
মূল যুক্তি হল ভলিউম মডেল তৈরি এবং দামের প্রবণতা নির্ধারণ।
- ভলিউম মডেল তৈরি
- ভলিউমের ৪০ পিরিয়ডের মুভিং এভারেজ (vavg) ভলিউমের ভিত্তি হিসাবে গণনা করা হয়।
- ভলিউমের ৪০ পিরিয়ডের স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন (vsd) ভলিউমের স্বাভাবিক ওঠানামার পরিসর হিসাবে গণনা করা হয়।
- ভলিউমের ৫ পিরিয়ডের মুভিং এভারেজ (vavgn) সর্বশেষ ভলিউম স্তর হিসাবে গণনা করা হয়।
- ভলিউমের নিম্ন সীমা (lowlimit) নির্ধারণ করা হয় vavg থেকে ১ গুণ vsd বিয়োগ করে।
- ভলিউমের উচ্চ সীমা (uplimit) নির্ধারণ করা হয় vavg এর সাথে ২ গুণ vsd যোগ করে।
- দামের প্রবণতা নির্ধারণ
- দামের ২০ পিরিয়ডের মুভিং এভারেজ (mavg) দামের প্রবণতা নির্দেশক হিসাবে গণনা করা হয়।
- ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি
- যখন mavg তার আগের দিনের মানকে উপরের দিকে অতিক্রম করে, তখন vavgn lowlimit-এর উপরে থাকলে লং (ক্রয়) পজিশন নেওয়া হয়।
- যখন mavg তার আগের দিনের মানকে নিচের দিকে অতিক্রম করে, তখন vavgn lowlimit-এর উপরে থাকলে শর্ট (বিক্রয়) পজিশন নেওয়া হয়।
- mavg-এর প্রবণতা উল্টে গেলে পজিশন বন্ধ করা হয়।
এই কৌশলটি ভলিউম মডেল এবং দামের প্রবণতাকে একত্রিত করে, অস্বাভাবিক ভলিউমের সময় দামের প্রবণতা অনুসরণ করা এড়িয়ে যায়, যা কিছু ভুল সিগন্যাল ফিল্টার করে দেয়।
কৌশলের সুবিধা বিশ্লেষণ
- ভলিউম পরিবর্তনের সাথে দামের প্রবণতা নির্ধারণ করে, কিছু ভুল সিগন্যাল ফিল্টার করা যায় এবং সিগন্যাল আরও নির্ভরযোগ্য হয়।
- ভলিউমের স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন ব্যবহার করে ভলিউম মডেল তৈরি করা হয়, যা ভলিউমের চরম পরিবর্তনের প্রভাব এড়ায়।
- মুভিং এভারেজের প্যারামিটারগুলি সামঞ্জস্যযোগ্য, যা বিভিন্ন সময়ের দামের পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
কৌশলের ঝুঁকি বিশ্লেষণ
- স্বল্পমেয়াদে ভলিউম এবং দামের মধ্যে বিচ্যুতি ঘটতে পারে, যার ফলে দামের প্রবণতা মিস হতে পারে।
- ভলিউম প্যারামিটারের অনুপযুক্ত সেটিং মডেলটিকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
- কৌশলটিতে নিজে থেকে স্টপ লসের ব্যবস্থা নেই, যা বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
ঝুঁকি সমাধানের উপায়:
- মুভিং এভারেজের প্যারামিটার যথাযথভাবে সামঞ্জস্য করে মডেলটি অপ্টিমাইজ করা।
- স্টপ লস লজিক যুক্ত করে প্রতি ট্রেডে ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করা।
কৌশল অপ্টিমাইজেশনের দিকনির্দেশনা
- দামের প্রবণতা নির্ধারণে আরও বেশি নির্দেশক যুক্ত করা, যাতে সিগন্যাল আরও সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য হয়।
- মেশিন লার্নিং মডিউল যোগ করা, যাতে ডেটার উপর ভিত্তি করে ভলিউম এবং দামের মডেলের প্যারামিটার প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়।
- স্টপ লস লজিক যোগ করা, যাতে প্রতি ট্রেডে বড় ক্ষতি রোধ করা যায়।
- এন্ট্রি লজিক অপ্টিমাইজ করা, যাতে উচ্চ সম্ভাবনায় ট্রেন্ড ধরা যায়।
- ATR-এর মতো নির্দেশকের সাথে মিলিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্টপ লস দূরত্ব সামঞ্জস্য করা।
সারসংক্ষেপ
কৌশলটির মূল ধারণা স্পষ্ট – ভলিউম ব্যবহার করে ভুল প্রবণতা অনুসরণ এড়ানো হয় এবং এন্ট্রি সিগন্যাল তুলনামূলকভাবে নির্ভরযোগ্য। তবে কৌশলটি নিজে থেকে সহজ এবং সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আরও নির্দেশক, মেশিন লার্নিং, স্টপ লস ইত্যাদি মডিউল যোগ করে অপ্টিমাইজ করলে স্থিতিশীলতা এবং ট্রেন্ড শনাক্ত করার ক্ষমতা আরও বাড়ানো যায়। এই কৌশলটি একটি সাধারণ ট্রেন্ড ফলোয়িং কৌশল, যা অপ্টিমাইজেশনের পর একটি অত্যন্ত ব্যবহারিক কোয়ান্টিটেটিভ কৌশলে পরিণত হতে পারে।
- 1

