মুভিং এভারেজের গোল্ডেন ক্রস ও ডেথ ক্রস ট্রেন্ড ফলোয়িং কৌশল
এই কৌশলটি 20-দিন এবং 60-দিনের মুভিং এভারেজ ক্রসওভার ব্যবহার করে কেনা-বেচার সংকেত তৈরি করে। যখন দাম 20-দিনের লাইন ভেঙে উপরে ওঠে, তখন লং পজিশন নেওয়া হয়; যখন দাম 20-দিনের লাইন ভেঙে নিচে নেমে আসে, তখন পজিশন ক্লোজ করা হয়। একইভাবে, দাম 60-দিনের লাইন ভেঙে গেলেও কেনা-বেচার সংকেত তৈরি হয়। এই কৌশলটি একটি সাধারণ ট্রেন্ড ফলোয়িং কৌশল।
কৌশলের নীতি
- 20-দিনের সরল মুভিং এভারেজ এবং 60-দিনের সরল মুভিং এভারেজ গণনা করা।
- যখন ক্লোজিং প্রাইস 20-দিনের লাইন ভেঙে উপরে ওঠে, তখন লং পজিশন নিন।
- যখন ক্লোজিং প্রাইস 20-দিনের লাইন ভেঙে নিচে নেমে আসে, তখন পজিশন ক্লোজ করুন।
- যখন ক্লোজিং প্রাইস 60-দিনের লাইন ভেঙে উপরে ওঠে, তখন লং পজিশন নিন।
- যখন ক্লোজিং প্রাইস 60-দিনের লাইন ভেঙে নিচে নেমে আসে, তখন পজিশন ক্লোজ করুন।
উপরোক্ত নিয়মগুলি এই কৌশলের ট্রেডিং সিগন্যাল ও নিয়ম গঠন করে। যখন দাম মুভিং এভারেজ লাইন ভেঙে যায়, তখন এটি নির্দেশ করে যে ট্রেন্ড শুরু হয়েছে, তাই ট্রেন্ড অনুসরণ করে লং পজিশন নেওয়া যায়; যখন দাম মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে নেমে যায়, তখন ট্রেন্ড শেষ হয়েছে বোঝায়, তাই পজিশন ক্লোজ করা সঠিক সিদ্ধান্ত।
কৌশলের সুবিধা
- ডাবল মুভিং এভারেজের সমন্বয় কৌশলটিকে আরও স্থিতিশীল করে তোলে। 20-দিনের লাইন দ্রুত স্বল্পমেয়াদী ট্রেন্ডের সুযোগ ধরতে পারে; অন্যদিকে 60-দিনের লাইন কিছু স্বল্পমেয়াদী বাজারের শব্দ ফিল্টার করে এবং মধ্যম থেকে দীর্ঘমেয়াদী ট্রেন্ড লক করে।
- কৌশলটির ব্যাকটেস্ট 2018 থেকে শুরু হয়েছে এবং তাইওয়ান স্টক মার্কেট বেছে নেওয়া হয়েছে। মূল ভূখণ্ডের চীনের A-শেয়ারের তুলনায় তাইওয়ানের শেয়ারবাজারের ট্রেডিং ব্যবস্থা আরও উন্নত, যা কৌশলের কার্যকারিতা আরও স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করে।
- যুক্তিসঙ্গত স্টপ-লস এবং পজিশন কন্ট্রোল ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা সর্বাধিকভাবে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করে।
কৌশলের ঝুঁকি
- কৌশলটি শুধুমাত্র মুভিং এভারেজ নির্দেশকের উপর ভিত্তি করে তৈরি। যখন বাজারে স্পষ্ট ট্রেন্ড থাকে না, তখন অনেক Whirlaway এবং ভুল সংকেত তৈরি হবে।
- কৌশলে কেনা-বেচার পরিমাণ ও পজিশন অপ্টিমাইজ করা হয়নি, তাই তহবিলের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
- কৌশলটি দাম ওঠানামার প্রতি সমমিত প্রতিক্রিয়া দেখায়, ফলে বাজারের বিভিন্ন অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না।
ঝুঁকি সমাধানের উপায়:
- অন্যান্য নির্দেশক যেমন KDJ, MACD ইত্যাদি যোগ করে একাধিক যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যা ভুল ট্রেড এড়াতে সাহায্য করবে।
- মার্কেট ক্যাপ, অস্থিরতা ইত্যাদি বিষয়ের ভিত্তিতে পজিশন ও তহবিল ব্যবহারের দক্ষতা অপ্টিমাইজ করা যেতে পারে।
- বাজার সূচকের বিভিন্ন পর্যায়ে অসমমিত অপারেশন ব্যবহার করা যেতে পারে: দোদুল্যমান পর্বে ট্রেড কমিয়ে এবং স্পষ্ট ট্রেন্ডে পজিশন বাড়ানো।
কৌশল অপ্টিমাইজেশনের দিকনির্দেশনা
- কেনা-বেচার পরিমাণ অপ্টিমাইজ করা। স্টপ-লস তথ্যের ভিত্তিতে পজিশনের পরিমাণ গতিশীলভাবে সামঞ্জস্য করা যেতে পারে।
- মুভিং এভারেজের দিনের প্যারামিটার অপ্টিমাইজ করা। ধাপে ধাপে অপ্টিমাইজেশন, র্যান্ডম অপ্টিমাইজেশন ইত্যাদি পদ্ধতি ব্যবহার করে আরও ভালো প্যারামিটার খুঁজে বের করা যেতে পারে।
- স্টপ-লস কৌশল যোগ করা। ট্রেইলিং স্টপ বা লিমিট স্টপ লাভ ভালোভাবে সুরক্ষিত করতে সাহায্য করতে পারে।
- পজিশন ম্যানেজমেন্ট যোগ করা। তহবিলের আকার ও মার্কেট ক্যাপের ভিত্তিতে একক ট্রেডের পজিশন গতিশীলভাবে সামঞ্জস্য করা।
সারসংক্ষেপ
এই কৌশলটি একটি সাধারণ ডাবল মুভিং এভারেজ ক্রসওভার কৌশল। মূল ধারণা হলো ট্রেন্ড অনুসরণ করা, এবং দাম মুভিং এভারেজ লাইন ভেঙে গেলে ট্রেন্ড পজিশন স্থাপন করা। কৌশলটি সহজ, ব্যবহারিক এবং বাস্তবায়ন করা সহজ। একইসাথে এতে কিছু অপ্টিমাইজেশনের সুযোগ রয়েছে; প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশন, স্টপ-লস এড়ানো, পজিশন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি মাধ্যমের মাধ্যমে আরও ভালো কৌশলের ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।
- 1

