প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ট্রেন্ড অনুসরণকারী কোয়ান্টিটেটিভ স্ট্র্যাটেজি
সারসংক্ষেপ
এই কৌশলটির মূল ধারণা হলো percentrank সূচক এবং প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশনের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে দামের প্রবণতা নির্ণয় ও অনুসরণ করা। এই কৌশলটি বর্তমান মূল্যের সাথে একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক সময়কালের মূল্যের আকারের শতাংশ তুলনা করে ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি করে, যাতে মধ্যম মিরর প্রভাব ধরা যায়, প্রবণতা অনুসরণ করা যায় এবং অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করা যায়।
কৌশল নীতি
এই কৌশলটি দামের প্রবণতা নির্ণয়ের জন্য percentrank সূচক ব্যবহার করে। percentrank দেখায় একটি নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ সময়কালের মধ্যে বর্তমান মূল্যের আপেক্ষিক শক্তি। len প্যারামিটারটি পর্যবেক্ষণ করা ঐতিহাসিক সময়কালের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করে।
percentrank-এর মান 0 থেকে 100 এর মধ্যে থাকে। যখন percentrank মান 0 এর কাছাকাছি হয়, তখন বর্তমান মূল্য পর্যবেক্ষণ সময়কালের সর্বনিম্ন মূল্যের কাছাকাছি থাকে, যা একটি কম মূল্যায়িত অঞ্চল; যখন 100 এর কাছাকাছি হয়, তখন বর্তমান মূল্য পর্যবেক্ষণ সময়কালের সর্বোচ্চ মূল্যের কাছাকাছি থাকে, যা একটি উচ্চ মূল্যায়িত অঞ্চল।
এই কৌশলটি একটি scale প্যারামিটারও অন্তর্ভুক্ত করে, যা অফসেট হিসাবে কাজ করে। এটি 0 থেকে 100 সীমাকে scale থেকে 100+scale সীমায় স্থানান্তরিত করে। একই সাথে দুটি সিগন্যাল লাইন level_1 এবং level_2 সেট করা হয়। level_1 বুলিশ স্তর নির্দেশ করে, এবং level_2 বেয়ারিশ স্তর নির্দেশ করে।
যখন দামের percentrank সূচক নিচ থেকে উপরে level_1 অতিক্রম করে, তখন একটি বুলিশ সিগন্যাল তৈরি হয়; যখন উপরে থেকে নিচে level_2 অতিক্রম করে, তখন একটি বেয়ারিশ সিগন্যাল তৈরি হয়। পজিশন বন্ধ করার শর্ত এন্ট্রি সিগন্যালের বিপরীত।
কৌশল সুবিধা
- দামের প্রবণতার শক্তি নির্ণয়ের জন্য percentrank সূচক ব্যবহার করে, যাতে আটকে পড়া এবং বেশি দামে কেনা এড়ানো যায়।
- প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশন পদ্ধতি প্রয়োগ করে, scale অফসেট এবং সিগন্যাল লাইনের থ্রেশহোল্ড সামঞ্জস্য করে বিভিন্ন পণ্য এবং সময়কালের জন্য প্যারামিটার টিউনিং করে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি করে।
- প্রবণতা অনুসরণ এবং বিপরীত ট্রেডিংয়ের ধারণা একত্রিত করে, সিগন্যাল লাইন ভেঙে যাওয়ার পর দ্রুত প্রবণতা অনুসরণ করে।
ঝুঁকি বিশ্লেষণ
- প্রবণতা ভুলভাবে নির্ণয়ের কারণে অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি।
- দামের দোলন প্রবণতা স্পষ্ট না হলে ভুল সিগন্যাল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা।
- প্যারামিটার যথাযথভাবে সেট না করলে ঘন ঘন ট্রেডিং বা অপর্যাপ্ত ট্রেডিং ভলিউমের সমস্যা।
এই ঝুঁকিগুলি মোকাবেলায়, len, scale, level প্যারামিটারগুলি সামঞ্জস্য করে অপ্টিমাইজ করা যেতে পারে; একই সাথে অন্যান্য সূচকগুলিকে নিশ্চিতকরণ হিসাবে ব্যবহার করে ভুল ট্রেডিং এড়ানো যায়।
অপ্টিমাইজেশন দিকনির্দেশনা
এই কৌশলটির আরও অপ্টিমাইজেশনের সম্ভাবনা রয়েছে:
- স্টপ-লস পয়েন্ট অন্তর্ভুক্ত করে একক লস কমানো যেতে পারে।
- মুভিং এভারেজ ইত্যাদি সূচকের সাথে নিশ্চিতকরণ করে কিছু ভুল সিগন্যাল ফিল্টার করা যেতে পারে।
- মেশিন লার্নিং পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্যারামিটার অপ্টিমাইজ করা যেতে পারে।
- একাধিক সময় ফ্রেমে সমান্তরালভাবে চালানো যেতে পারে।
সারসংক্ষেপ
কৌশলটির সামগ্রিক ধারণা স্পষ্ট, এবং এটি প্যারামিটার অপ্টিমাইজেশনের কোয়ান্টিটেটিভ পদ্ধতি ব্যবহার করে দামের প্রবণতা নির্ণয় ও অনুসরণ করে। এর কিছু ব্যবহারিক মূল্য রয়েছে, তবে বাস্তব ট্রেডিং ঝুঁকি কমানো এবং স্থিতিশীল মুনাফা অর্জনের জন্য আরও পরীক্ষা ও অপ্টিমাইজেশন প্রয়োজন।
- 1

