তরলতা বাজার তৈরি কৌশল
【মার্কেট মেকিং স্ট্র্যাটেজি কী?】
ভাবুন আপনি একটি সবজি বাজারে দোকান দিয়েছেন: আপনি একই সাথে "ক্রয় মূল্য" এবং "বিক্রয় মূল্য" নির্ধারণ করেন, যেমন ৯.৮ টাকায় আপেল কিনবেন এবং ১০.২ টাকায় বিক্রি করবেন। যখন কেউ আপনার কাছ থেকে আপেল কিনবে এবং আবার কেউ আপনাকে আপেল বিক্রি করবে, তখন আপনি মাঝের ০.৪ টাকার পার্থক্যটি লাভ করেন। ডিজিটাল মুদ্রার বাজারেও মার্কেট মেকিং স্ট্র্যাটেজি একই কাজ করে—একসাথে বাই অর্ডার এবং সেল অর্ডার রেখে মাঝের স্প্রেড থেকে লাভ করা।
【এই স্ট্র্যাটেজি কী করতে পারে?】
- স্বয়ংক্রিয় অর্ডার জমা: ক্রয় ও বিক্রয় উভয় পক্ষেই একাধিক মূল্যের স্তরে অর্ডার জমা দেয়, যা ২৪ ঘন্টা কাজ করে একজন অক্লান্ত ব্যবসায়ীর মতো
- স্মার্ট প্রাইসিং: বাজারে ওঠানামা বেশি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্প্রেড বড় করে (নিজেকে রক্ষা করে), এবং বাজার স্থিতিশীল থাকলে স্প্রেড ছোট করে (আরও বেশি লাভ করে)
- পজিশন নিয়ন্ত্রণ: যখন পজিশন একদিকে ভারী হয়ে যায়, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের শক্তি সমন্বয় করে একমুখী ঝুঁকি এড়ায়
- ঝুঁকি সুরক্ষা: স্টপ-প্রফিট এবং স্টপ-লস সেট করা যায়, লাভ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লাভ বুক করা যায় এবং ক্ষতি বেশি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা যায়
【কে ব্যবহার করতে পারেন?】
১. প্যাসিভ আয় চান: যারা বারবার ট্রেড করতে চান না, বরং স্ট্র্যাটেজি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের স্প্রেড থেকে আয় করুক
২. এক্সচেঞ্জের রিবেট উপার্জন: কিছু এক্সচেঞ্জ বাই/সেল অর্ডার বসানোর জন্য রিবেট দেয় (নেতিবাচক ফি)
৩. প্রজেক্ট টিম/মার্কেট মেকার: কোনো নির্দিষ্ট ট্রেডিং পেয়ারের জন্য লিকুইডিটি ডেপথ সরবরাহ করতে চান
【কী কী সতর্ক থাকতে হবে?】
- একমুখী বাজার ঝুঁকি: যদি দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকে বা কমতে থাকে, তাহলে একমুখী পজিশন জমে গিয়ে ভাসমান ক্ষতি হতে পারে
- মূলধনের প্রয়োজনীয়তা: একাধিক স্তরের অর্ডার সমর্থন করার জন্য পর্যাপ্ত মূলধন থাকতে হবে
- ছোট অঙ্কে পরীক্ষা করে দেখা: প্রথমে ছোট অঙ্কে ট্রেড করে স্ট্র্যাটেজি সম্পর্কে ভালোভাবে বোঝার পর বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করা উচিত
- 1
